ব্রেকিং নিউজ
ভুয়া নথিতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার পাচারকালে আটক! চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৩ কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মিরসরাইয়ের নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন আহত হামলা ও মারধর করে জোরপূর্বক জায়গা দখল: ব্যবস্থা নেয়নি থানা পুলিশ। সিএমপির নিষিদ্ধ ৩৩০ তালিকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আকতার গ্রেপ্তার ভুয়া নথিতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার পাচারকালে আটক! চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৩ কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় মিরসরাইয়ের নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন আহত হামলা ও মারধর করে জোরপূর্বক জায়গা দখল: ব্যবস্থা নেয়নি থানা পুলিশ। সিএমপির নিষিদ্ধ ৩৩০ তালিকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আকতার গ্রেপ্তার

থান কাপড় ব্যবসায়ীরা ভালো নেই, ব্যবসায়ীদের সময় কাটে গল্প-গুজবে

By Rasel Das | ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ | 170 views
থান কাপড় ব্যবসায়ীরা ভালো নেই, ব্যবসায়ীদের সময় কাটে গল্প-গুজবে

ADVERTISEMENT
728 x 90

সফিউল আজম রুবেল
স্টাফ রিপোর্টার

নারায়ণগঞ্জের থান কাপড় ব্যবসায়ীরা ভালো নেই। একরকম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েই দিন পার করতে হচ্ছে তাদের। লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও লাভের মুখ দেখছেন না তারা। দিনে ১০০ টাকাও বেচাকেনা হচ্ছে না অনেকের।

অথচ একসময় দৈনিক ৩০-৪০ কোটি টাকার বেচাকেনা হতো এখানে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করতেন মার্কেটের ব্যবসায়ী ও সাধারণ শ্রমিকরা। বর্তমানে মালিক-শ্রমিকদের গল্প-গুজব করে অলস সময় কাটে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সব ধরনের গেঞ্জির থান কাপড়ের অন্যতম পাইকারি ও খুচরা বিক্রির মার্কেট হলো নারায়ণগঞ্জ শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকার রেলওয়ে সুপার মার্কেট। মার্কেটের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন জায়গায় তাদের দোকান রয়েছে। আগে এই ব্যবসা অল্প পুঁজিতে করা গেলেও এখন আর সে অবস্থা নেই।

দোকানভেদে ১০ লাখ থেকে কয়েক কোটি টাকার মাল রয়েছে। এখান থেকে নারায়ণগঞ্জের শিল্প নগরী বিসিকসহ বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্টস মালিকরা থান কাপড় সংগ্রহ করেন। এরপর এসব কাপড় নিয়ে কারখানায় গেঞ্জি, টি-শার্ট তৈরি হয়। পরে এসব পণ্য চলে যাচ্ছে সৌদি আরব, দুবাই, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

রপ্তানির পাশাপাশি এসব পণ্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে মার্কেটে ক্রেতার আনাগোনা নেই বললেই চলে। আগে ব্যবসায়ীরা যেখানে মাসে ১০-২০ টন পণ্য বিক্রি করতেন, এখন তিন টন বিক্রি করাও কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এতে ব্যবসায়ী ও তাদের অধীনে থাকা শ্রমিকরা বিপাকে পড়েছেন। অনেক শ্রমিকের যাতায়াতের খরচও পর্যন্ত উঠছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গছে, রেলওয়ে সুপার মার্কেট ও সংশ্লিষ্ট প্রায় দেড় হাজার দোকান রয়েছে। আর এই দোকানগুলোর সঙ্গে ৮ থেকে ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান জড়িত। তবে বর্তমানে তারা কেউই ভালো নেই।

কথা হয় সাইদ হোসেন নামের একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‌‘ব্যবসার পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। বেচাকেনা একেবারেই কম। সারাদিন বসে থাকতে হয়। যাদের কাছে মালামাল বিক্রি করা হয়, তারা ঠিকমতো কারখানা চালাতে পারছেন না। আগে ক্রেতাদের আনাগোনায় মার্কেট সরগরম থাকতো। এখন কোনো কাজ নেই। কর্মচারীরা বসে থাকে। এরকম হবে কেউ ধারণাও করতে পারেননি। পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। বিদেশেও বেচাকেনা খারাপ যাচ্ছে।’

মহিবুল্লাহ ট্রেডার্সের মালিক মো. লুৎফর রহমান লিটন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিগত ২৭ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। বিগত সময়ে এই সময়ে অনেক বেচাকেনা হতো। এখন কেচাকেনাই নেই। সিজন চলছে সেটা বোঝা যাচ্ছে না।’

ADVERTISEMENT
Responsive