ব্রেকিং নিউজ
Gmail হ্যাক করে ব্যাংক হিসাব থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ, চট্টগ্রামে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ২ চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মাত্র ৫ কার্যদিবসে অভিযোগপত্র দাখিল টাঙ্গাইল র‍্যাব-১৪ কর্তৃক ৩৬ বোতল বিদেশী মদসহ ০২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার বাকলিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ ৫ জন গ্রেফতার বাকলিয়ায় ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Gmail হ্যাক করে ব্যাংক হিসাব থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ, চট্টগ্রামে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ২ চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মাত্র ৫ কার্যদিবসে অভিযোগপত্র দাখিল টাঙ্গাইল র‍্যাব-১৪ কর্তৃক ৩৬ বোতল বিদেশী মদসহ ০২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার বাকলিয়া থানা পুলিশের অভিযানে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ ৫ জন গ্রেফতার বাকলিয়ায় ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মাত্র ৫ কার্যদিবসে অভিযোগপত্র দাখিল

By Rasel Das | ০৫ জুন, ২০২৬ | 35 views
চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় মাত্র ৫ কার্যদিবসে অভিযোগপত্র দাখিল

ADVERTISEMENT
728 x 90

সঞ্জয় দত্তঃ- চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানায় দায়ের হওয়া চার বছরের এক শিশু ধর্ষণ মামলার তদন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিকেল রিপোর্ট, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল, ভিকটিম ও সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং অভিযুক্তের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৩টায় বাকলিয়া থানাধীন ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা বালুরমাঠ এলাকার একটি গোডাউন কক্ষে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ২২ মে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেন (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার মিয়াখাননগর এলাকায় বসবাস করতেন। মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন বাকলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ। তদন্তকালে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন তিনি। একইসঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন, সাক্ষীদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ, ভিকটিম ও অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার ব্যবস্থা, চিকিৎসা সংক্রান্ত সনদপত্র সংগ্রহ এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তদন্ত শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৬)-এর ৯(১) ধারায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ৪ জুন ২০২৬ তারিখে বাকলিয়া থানার অভিযোগপত্র নং-১৫০ আদালতে দাখিল করা হয়। উল্লেখ্য, ২২ মে মামলা রুজুর পর ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সরকারি ছুটি ছিল। এরপরও কার্যদিবস হিসেবে ২৪ মে এবং ১ থেকে ৪ জুন—মোট পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যেই তদন্ত সম্পন্ন করে অভিযোগপত্র দাখিল করতে সক্ষম হয় বাকলিয়া থানা পুলিশ। বর্তমানে মামলার অভিযুক্ত মনির হোসেন কারাগারে আটক রয়েছেন। দ্রুত তদন্ত ও অভিযোগপত্র দাখিলের ফলে বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত অগ্রসর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

ADVERTISEMENT
Responsive